বর্তমান সময়ঃ- 9 April, 2020

মৎস্যকন্যা সম্পর্কে জানতে চান চলুন এ নতুন অভিযানে

অস্সালামুয়ালাইকুম😇

মৎস্যকন্যা

কেমন আছেন সবাই।আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমার গত পোস্টটি পড়ার জন্য  সবাইকে ধন্যবাদ😊।আজকে আমি আবারো আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি নতুন একটি রহস্যময় ঘটনা।আশা করি আমার এই পোস্টটি ও আপনাদের ভালো লাগবে।

মৎস্যকন্যা

আপনারা সবাই হয়তো মৎসকন্যা বা জলপড়রীর অনেক কথা ও কাহিনী শুনেছেন ।কেউ হয়তো জলপরী সম্পর্কিত movie ও দেখেছেন।কিন্তু আমরা কেউই মৎসকন্যা সম্পর্কে সম্পুর্নভাবে জানিনা।তাই আজকে আমি মৎসকন্যা সম্পর্কে যা জানি তা ল্লিখতে যাচ্ছি।

মৎসকন্যাঃ

মৎস্যকন্যা

মৎসকন্যা বা মারমেইড এক ধরনের জলজপ্রানী।এই মৎসকন্যা দেখতে অরধেক মাছের মতো ও অরধেক সুন্দরী নারীর মতো। অর্থাৎ জলপড়ীর উপরের অংশ নারীর মতো ও নিচের অংশ মাছের মতো।পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মৎসকন্যার অনেক ইতিহাস রয়েছে।কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউই স্পষ্ট ধারনা দেওয়া হয়নি।

মৎসকন্যার ইতিহাসঃ

  • ধরা হয় মৎসকন্যার গানের কন্ঠ অনেক মধুর।তারা তাদের গানের সুরের মাধ্যমে নাবিকদের নিজের বসে আনে।
  • অনেকে ভাবে মৎসকন্যারা যুবকছেলেদের ও নাবিকদের প্রেমে পড়ে যায়।তাই তারা নাবিকদের কাছে গিয়ে তাদের মধুর কন্ঠে গান গায় ও নাবিকরাও তাদের গান শুনে নিজেকে তাদের কাছে যাওয়ার জন্য থামাতে পারেনা।ফলে তারা গভির পানিতে ঝাপ দেয় ও ম্রিত্যুর রাজ্যে চলে জায়।
  • আবার অনেকের ধারনা মৎসকন্যারা জুবক নাবিকদের সাথে থাকতে চায় তাই তারা তাদের মধুর কন্ঠের ও সুন্দযের মাধ্যমে নাবিকদের সমুদ্রের গভীরে নিয়ে যায়, কিন্তু তারা তো যানেনা যে মানবজাতি পানির গভীরে বাচতে পারেনা ও নাবিকরা মারা জায়।

জারা ও যেখানে মৎসকন্যাদের দেখেছেঃ 

মৎস্যকন্যা

১৯৪৭সালে ৮০বছরএর এক নাবিক   উপকূল থেকে ২০গজ দূরে এক জলপড়ী দেখেন। যে নাকি গলদা চিংড়ির দাড়া দিয়ে ছুল আচড়াচ্ছিল। কিন্তু যখনই সে বুঝতে পারল কেউ তাকে দেখছে তখন,সাথে সাথে টপ করে পানিতে চলে গেলো।

১৮৩৩সালে ৬জন জেলে তাদের জালের মধ্যে এক মেয়ে আটকা পরে।৩ফুট লম্বা অই মেয়েটা নাকি অনেক সময় তাদের নৌকায় থাকে।মেয়েটির জলপরীদের মতো লেজ না থাকলেও তার গায়ে মাছের মতো অনেক আশ ছিলো। মেয়েটি তাদের কোনো ক্ষতি করে না শুধু আস্তে আস্তে ফুপাচ্ছিলো।তাকে ফেখে জেলেরা খুব ভয় পায় ও ইশারায় তাকে চলে যেতে বলেন।পরে মেয়েটি গভীর সাগরে দুব দিলো আবার কিছুক্ষন পড়ে আবার ভেসে উঠে তাদের কৃতজ্ঞতা জানায় ও সাগড়ে মিশে জায়।

মৎস্যকন্যা

তবে মৎসকন্যা দেখার জ ঘঠনা সবথেকে বেশি আলড়োন তৈরি করে ২০১৭সালের ডিসেম্বর নাসে ভারতের দীঘা উপকূলএ।কয়েকজন মানুষ একটি অদ্ভুত প্রাণী দেখতে পায় যার অরধেক মাছের মতো ও অরধেক সুন্দরী নারীর মতো। যার অপরুপ চেহারা দেখে তারা মুগ্ধ হয়ে জায় তারা এই প্রানীর ভিডিও করে। কিন্তু প্রানীর হাত বাধা ছিলো। তবে এটি জলপড়ি না অন্য কিছু তা এখনো রহস্যএর মতো। কয়েক দিন প্রানিটী   বনজ কতৃপক্ষের হেফাজতে ছিলো।

এরকম আরও প্রচুর রহস্যময় ঘঠনা প্রায়ই দেখা যা।মৎস্যকন্যা

আমি আজকের জন্য বিদায় নিচ্ছি।আবারও আপনাদের জন্য খুব শীঘ্রই নিয়ে আসবো আরও অনেক রহস্যময় ঘঠনা।

 

আল্লাহ হাফেজ😇।

বাংলাপেন

Share
Js Tawhida

I’m just human, I have weakness, I make mistakes and I experience sadness; But I learn from all these things to make me a better person.

2 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *