বর্তমান সময়ঃ- 5 June, 2020

দাজ্জাল কে? দাজ্জাল এর ফিতনা সম্পর্কে জানুন এবং নিজেকে রক্ষা করুন

আসসালামুআলাইকুম☺

সবাই কেমন আছেন।আশা করি আল্লাহু রহমতে সবাই ভালো আছেন।আমার সব পোস্টই হচ্ছে বিভিন্ন রহস্যময় কাহিনী নিয়ে।কিন্তু আজকে আমি একটু ভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখতে যাচ্ছি।যা আমার কাছে মনে হয় আমাদের সবার জেনে রাখা উচি। তো আজকের আমার পোস্টটি আমাদের মুসলিমদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ,বিষয়টি হচ্ছে দাজ্জালকে নয়ে।

দাজ্জাল কে?

আমরা সবাই হয়তো দাজ্জালকে চিনি।তারপরেও আমি আরও কিছু তথ্য দিতে চাই যা হয়তো আপনারা জানতেও পারেন অথবা নাও চিনতে পারি।

কেয়ামতের পূর্বে আল্লাহ তায়ালা আমাদের পরীক্ষা করার জন্য দাজ্জালকে পাঠাবেন।দাজ্জাল একজন মানুষ, ঈসা (আঃ)এর মতো অলৌকিক শক্তিশালী থাকবে। দাজ্জালকে বলা হয় “মাসীহিদ-দাজ্জাল”। জার অর্থ মিথ্যা প্রতারক।

দাজ্জালের পরিচয়ঃ

দাজ্জাল আদম (আঃ)এরই একজন সন্তান।তাকে আল্লাহর হুকমেই মুসলিম জাতির পরিক্ষা নেওয়ার জন্য পাঠানো হবে।

দাজ্জালের গায়ের রঙ থাকবে লালচে।চুল থাকবে কুকরানো ভাব,বুক থাকবে প্রশস্ত।দাজ্জালের কপাল থাকবে একটু বড় কিন্তু তার দান চোখ কানা থাকবে ও বাম চোখ থাকবে অনেক ফুলানো।তার বাম চোখ দেখলে মনে হবে চক্ষু কোটর থেকে বের হয়ে যাচ্ছে।তার চোখ দুটির মাঝখানে ” কাফ” “ফা” “রা”,এই তিনটি অক্ষর লিখা থাকবে।যার অর্থ ” কাফের”।এই তিনটি অক্ষর শিক্ষিত অশিক্ষিত সব ইমানদার ব্যাক্তি পড়তে পারবে।

দাজ্জালের আর একটি পরিচয় হলো তার কোনো সন্তান থাকবে না অর্থাৎ সে নিঃসন্তান থাকবে।প্রথমে দাজ্জাল বিভিন্ন অলৌকিক কাজের মাধ্যমে (আল্লাহর হুকুমে-যেন সবাইকে পরিক্ষা করা যায়) নিজেকে আল্লাহ প্রমান করতে চাইবে।সে আকাশএর মেঘকে হুকুম করবে বৃষ্টি দেওয়ার জন্য এবং আল্লাহর হুকুমে বৃষ্টি হবে, আর যারা তাকে আল্লাহ হিসাবে স্বীকার করবে না সেখানে ক্ষরা হবে।সে আল্লাহর হুকুমে মৃত মানুষকে জিবিত করবে।ইমানদার ব্যাক্তি যাতে তাকে আল্লাহ মানে তাই জীনকে তাদের বাবা-মায়ের রুপ ধরিয়ে আনবে,ও জীনরা তাদের বাবা মায়ের রুপ নিয়ে তাদের বলবে “তিনিই আল্লাহ তিনি আমদের জীবিত করেছেন”।

দাজ্জাল কখন আসবেঃ

দাজ্জালের আগমন তখন হবে যখন কেউই দাজ্জাল্কে নিয়ে কথা বলবে না, খুতবাতে দাজ্জালের কথা বলা হবেনা।তখন কেউই দাজ্জালকে চিনবে না। এই জাহিলরাই দাজ্জালের প্রতারনায় পড়বে ও জাহান্নামি হবে(নাউজুবিল্লা)।

দাজ্জালকে সব মানুষদের তার প্রতারনায় ফেলার জন্য সে এমন কিছু কাজ করবে যার মাধ্যমে সে সবার বিস্বাস আনবে।

ইহুদিরা জেরুজালেমকে জেন্টাইলে পরিনত করে। যেহেতু দাজ্জালকে সুলাইমান (আঃ)এর মতো মানবজাতিকে তার অওধীনে আনার জন্য সে ইহুদিদের তাড়িয়ে দেবে ও সবার বিস্বাস আনবে।

দাজ্জালের ফিতনা(প্রতারনা)থেকে নিরাপদ থাকার উপায়ঃ

আমরা কেউই জানিনা দাজ্জাল কখন আসবে।হয়তো কাল সকালেই আস্তে পারে অথবা হাজার হাজার বছর পরেও আস্তে পারে তাই আমাদের অনেক সতর্কতাঅবলম্বন করতে হবে।আমাদের বিভিন্ন আলেমরা বলেছেন সূরা কাহাফের শেষ১০আয়াত মুখস্ত যাদের তারা দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।আমাদের মহানবীও নামাযের শেষে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকার জন্য একটা দুয়া বলছেন।আমাদের সেই দুয়া মুখুস্ত রাখতে হবে।

আমদের অনেক আলেমরা বলেছেন হয়তো খুব শীঘ্রই দাজ্জালের আবির্ভাব হবে।দাজ্জালের আবির্ভাবএর পরে আবার জন্ম নিবেন ঈসা (আঃ)এর ও তিনী দাজ্জালকে হত্যা করবেন।

আজকের জন্য বিদায় নিলাম এর সম্পর্কে আরও অনেক কিছু জানতে সাথে থাকুন বাংলাপেনেরবাংলাপেনের

আল্লাহ হাফেজ😇

Share
Js Tawhida

I’m just human, I have weakness, I make mistakes and I experience sadness; But I learn from all these things to make me a better person.

Leave a Reply