বর্তমান সময়ঃ- 5 June, 2020

ইউ এফ ও কি? ভিনগ্রহের এক অদ্ভুত প্রানির অস্তিত্ব

আসসালামু-আলাইকুম।

সবাই কেমন আছেন।আপনাদের জন্য আমি আজকে আবারও নিয়ে আসছি আরও একটি ইন্ট্রেস্টিং পোস্ট।

এত বড় বিশ্বে কী শুধু পৃথিবীতেই প্রাণের সন্ধান পাওয়া যায়।সারা মহাবিশ্বে এতো বিশাল বিশাল গ্রহ,উপগ্র, নক্ষত্র, গ্যালাক্সি ইত্যাদি রয়েছে।কিন্তু শুধু পৃথিবী ছাড়া আর কোথাও প্রাণের সন্ধান পাওয়া যায় না।

কিন্তু অনেক অদ্ভুত কিছু আমরা প্রায় দেখতে পাই যা প্রমাণ দেয় হয়তো আর কিছু জিবীত থাকে পৃথিবীর বাইরে রহস্যে ঘেরা সেই মহাবিশ্বের কোথাও। তার মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে U.F.O

ইউ.এফ.ওঃ

আমাদের এই মহাবিশ্বে কোটি কোটি গ্রহ রয়েছে।এক সন্ধানে পাওয়া যায় যে প্রায় ১০০০০ গ্রহতে প্রাণী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো গ্রহতে প্রাণের সন্ধান পাওয়া যায়নি। কিন্তু অনেক সময় এমন অনেক ঘটনা ঘটে থাকে যা প্রমাণ দেয় যে এই বিশ্বে আমরা ছাড়াও অনেকে থাকে।বিষেশ করে আকাশে অনেক অজানা কিছু অনেক সময়ি দেখা যায় যা সম্পর্কে এখনো আমরা জানি না।এর মধ্যে সবথেকে বেশি আলোচ্য হলো U.F.O।

এই UFO কী সত্যিই আছে???না শুধু মানুষের কল্পনা।হতেও পারে কিন্তু হাজারো মানুষের কল্পনা,তা বলা কঠিন।

ইউ.এফ.ও(U.F.O)কীঃ

ইউ.এফ.ও এর অর্থ হচ্ছে Unidentified  Flying object অর্থাৎ আকাশে উড়ন্ত বস্তু যার কোনো সন্ধান পাওয়া যায় নি। উ.এফ.ও কে ফ্লায়িং সসারও বলা হয়।কারণ যারা ইউ.এফ.ও নাকি দেখতে অনেকটা সসার বা পিরিচের মতো।এর মানে তাই না যে এটা শুধু পিরিচের মতো অনেকে বলে যে এটা গোল,পিরামিডের মতো আরোও অনেক আকারের হয়ে থাকে।

U.F.O দেখার প্রথম ঘটনাঃ

আমরা প্রায়ই মিশরের বিভিন্ন পৌরাণিক  কাহিণীতে উড়ন্ত চাক্তির কথা শুনে থাকি।অষ্টাদশ শতাব্দীতে  আজ থেকে প্রায় ১৫০০ বছর আগের কথা তখন ছিল শীতের সময় ফারাও হঠাৎ আকাশে দেখতে পান একটি উড়ন্ত  আগুনের চাকতির মতো আজব একটি বস্তু পরে তিনি এই  কাহিনী লিখে রাখার জন্য বলেন।

আরও একবার যখন খুব বেশি UFOনিয়ে আলোচিত হয়;

হোয়াইটভীল, ভা্ররজিয়াম ১৯৪৭ সাল।অনেক শান্ত সিমসাম শহর।সে শহরের রেডিও স্টেশনে কাজ করতো ড্যানি গারডন নামের এক যুবক ।একদিন সে রেডিও স্টেশনে কিছু অদ্ভুত  সিগ্নাল পেল ,তার কাছে মনে হলো আকাশ থেকে কেউ কাউকে অদ্ভুত তথ্য পাঠাচ্ছে ,পরে সে ভাবল এটা কোনো অন্য সমস্যার জন্য কাজটি হচ্ছে ।পরে একই রাতে তার কাছে কয়েক জন এসে বললো যে আকাশে অদ্ভুত এক গুচ্ছ আলো দাখতে পেয়েছে তারা।পরে সে ভাবলো যে পাশের বিজ্ঞানাগারে হয়তো কোনো ধরনের কিছুর জন্য এই আলো সৃষ্টি হয়েছে, যখন সে তাদের গিয়ে জিজ্ঞাস করলো তারা বললো যে এরকম কোনো কিছু রাতে তারা করে নাই।তখন সে ভাবলো হয়তো রেডিও স্টেশনের সেই অদ্ভুত সিগ্নাল ও এই আকাশের  অদ্ভুত  আলোকগুচ্ছ একটা অন্যটার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু এই সব কিছুর কোনো অর্থ পাচ্ছিলো না। এইটা তার মনে একটা খটকা থেকে গেলো।

প্রায় ২সপ্তাহ পর সে তার ২বন্ধুর সাথে ছিল তখন প্রায় শেষ রাত হঠাৎ তারা লক্ষ্য করলো একটা অদ্ভুত আকাশযান তাদের ঠিক উপরে ,বিশাল আকাশযানটি চাকতির মতো উপরে একটি ডোম ,পাখাবিহীন।যানটির আশেপাশে অদ্ভুত আলোকগুচ্ছ বিচ্ছুরিত হচ্ছিলো।

তার পরে এরকম আরোও অনেকে আড়ও অনেক বার এই জায়গায় UFOদেখেছে অনেকে ছবিও তুলেছে।

সবার আকর্ষণ কেড়ে নেওয়া UFOদেখার অদ্ভুত ঘটনা; 

UFO

১৯৯১সালের সূর্য গ্রহনের কথা তো আমাদের সবারই মনে আছে। সারা পৃথিবী মেতে ছিলো সেই সূর্য গ্রহন নিয়ে।মেক্সিকোবাসিরাও এই বিষয় নিয়েই মগ্ন ছিলো।ওই সময় একজন ছাদের উপর বসে সূর্য গ্রহন টিভিতে লাইভ টেলিকাস্ট করছিলো তখন একসাথে সারা বিশ্বএর সবাই দেখতে ছিলো সেই দৃশ্য তখন হঠাৎ সবাই দেখলো এক অদ্ভুত আকাশযান  আকাশে,অনেক বিশাল যার থেকে হরেক রকম রশ্মি বের হচ্ছিলো। তারপর আকাশযানটি আকাশের মধ্যেই মিলিয়ে গেলো।

এরকম আরও অনেক রহস্যময় ঘটনা ঘটে যা আমাদের বার বার একই কথার প্রমাণ দেই যে আমদের এই বিশ্বে আমরা ছাড়া আরও অনেকের অস্তিত্ব রয়েছে।

এইUFOএর রহস্যের শেষ নেই,বাকি সব রহস্য নিয়ে আমি আবারও লিখবো অন্যদিন।আজকে আর না আজকের জন্য এখানেই বিদায় নিলাম বাকি ঘটনা জানতে সাথে থাকবেন বাংলাপেনেরবাংলাপেনের😇

Share
Js Tawhida

I’m just human, I have weakness, I make mistakes and I experience sadness; But I learn from all these things to make me a better person.

Leave a Reply